অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যে প্রশ্নটা সবার আগে আসে সেটা হলো — "ঠিকমতো কাজ করবে তো?" taka7 ব্যবহার করা শুরু করলে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেই পেয়ে যাবেন। সাইটে ঢুকলে সবকিছু সাজানো-গোছানো, কোথায় কী আছে বুঝতে এক মিনিটও লাগে না।
প্রথমবার ঢুকলে একটু অবাকই হতে পারেন — এত গেম, এত অপশন, তবু পেজটা ভারী মনে হয় না। taka7-এর ইন্টারফেস এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ৩ বছর বয়সী ফোনেও স্বাভাবিক গতিতে চলে। অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন — যেটাই হোক, পার্থক্য টের পাবেন না।
ইন্টারফেস যেন নিজের মতো করে তৈরি
taka7-এ লগইন করার পরে ড্যাশবোর্ডে নিজের প্রিয় গেমগুলো পিন করে রাখা যায়। সম্প্রতি খেলা গেমের ইতিহাস সামনেই দেখায়, আলাদা করে খুঁজতে হয় না। বোনাস ব্যালেন্স, আসল ব্যালেন্স আলাদা করে দেখানো থাকে যাতে বিভ্রান্তি না হয়।
অনেকে জিজ্ঞেস করেন — অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে কি? না, taka7-এ আলাদা অ্যাপ ডাউনলোডের দরকার নেই। মোবাইল ব্রাউজার থেকেই পুরো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যায়। তবে চাইলে হোম স্ক্রিনে শর্টকাট যোগ করা যায়, যেটা দেখতে একেবারে অ্যাপের মতোই।
বাংলাদেশে ইন্টারনেটের বাস্তবতা মাথায় রেখে
ঢাকার বাইরে অনেক জায়গায় ইন্টারনেট গতি ওঠানামা করে। taka7 এটা জানে, তাই প্ল্যাটফর্মে অটো-কোয়ালিটি অ্যাডজাস্টমেন্ট আছে। নেটওয়ার্ক দুর্বল হলে গেমের গ্রাফিক কোয়ালিটি সামান্য কমিয়ে গেম চালু রাখে — আপনি মাঝপথে বের হয়ে যাবেন না।